ইন দা আরলি আওয়ার্সঃ রিফ্লেকশন অন স্পিরিচুয়াল এন্ড সেলফ ডেভেলপমেন্ট//২

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

অনুবাদ: ফয়সাল তারিক

মূল: খুররম মুরাদ

আপনার মিশন

জান্নাত পাওয়ার লক্ষ্যে আপনার প্রথম পদক্ষেপ নেওয়ার পরে আপনি নিজেকে জিজ্ঞেস করতে পারেন, সাফল্য অর্জনের জন্য আল্লাহ আমার কাছে কি কি চান?

কোরআনের বর্ণনা অনুযায়ী আল্লাহ চান আপনি মুমিন ও মুজাহিদ হন। মুমিন হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যিনি আল্লাহর প্রতি প্রকৃত ও দৃঢ় বিশ্বাস পোষন করেন। আর মুজাহিদ হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যিনি তার সবকিছু দিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালান। আপনি যদি মুমিন ও মুজাহিদ হন, তাহলে সর্বশক্তিমান ও দয়াময় আল্লাহতায়ালা আপনাকে পার্থিব ও পরকালীন- উভয় জীবনেই সন্মানিত হতে সাহায্য করবেন। যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে এবং আল্লাহর রাস্তায় তৎপর তাদেরকে সাহায্য করার ব্যাপারে আল্লাহতায়ালা কোরআনে প্রতিজ্ঞা করেছেনঃ

إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ آمَنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ ثُمَّ لَمْ يَرْتَابُوا وَجَاهَدُوا بِأَمْوَالِهِمْ وَأَنفُسِهِمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ۚ أُولَٰئِكَ هُمُ الصَّادِقُونَ.

‘প্রকৃত ঈমানদার তারাই যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের ওপর ঈমান এনেছে এবং এ ব্যাপারে পরে আর কোন সন্দেহ পোষণ করেনি৷ তারপর প্রাণ ও অর্থ-সম্পদ দিয়ে জিহাদ করেছে৷ তারাই সত্যবাদী৷’ (৪৯:১৫)

সুতরাং, এখন থেকে আপনার একটা মিশন আছে- মুমিন ও মুজাহিদ হওয়ার মিশন। আপনি যখন এই মিশন শুরু করবেন তখন হয়তো অনুভব করবেন যে ইসলাম সম্পর্কে আপনার জ্ঞান কিছুটা সীমিত। অথবা সমর্পন ও পরিশুদ্ধির যে মান আপনি নিজের ভিতরে চান বা মানুষ আপনার কাছে আশা করে, সেই মানে আপনি পৌঁছাতে পারছেন না। এরকম মনে হওয়া খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু এই ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতার অনুভুতি যেন কখনই আপনার ইসলাম চর্চার চেষ্টাকে ব্যহত না করে। মনে রাখবেন, ইসলাম অকস্মাত হয়ে যাওয়ার বিষয় নয় বরং নিরন্তর হওয়ার চেষ্টা করার বিষয় (is a state of becoming not a state of being)। প্রত্যেকদিন আপনি যদি মানোন্নয়নের চেষ্টা চালান তাহলে দেখবেন যে আপনার ক্রমশঃ উন্নতি হচ্ছে।

‘তাজকিয়া’ অথবা আত্মশুদ্ধির এই নতুন যে প্রোগ্রামে আপনি অংশ নিচ্ছেন তা ‘তাজকিয়া’র বিভিন্ন দিক গুলোকে আপনার কাছে পর্যায়ক্রমে উন্মোচন করবে। আপনি একদিনেই সব বদলে ফেলার আশা করতে পারেন না। এটা সম্পুর্ণ প্রকৃতিবিরুদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) সাহাবীদের প্রশিক্ষনের সময় এ ব্যাপারে সবসময় সচেতন ছিলেন। যখন কেউ ইসলাম গ্রহন করত, তখন তিনি সাথে সাথেই তাকে সব কিছু করতে বলতেন না। বরং তাকে ততটুকুই শেখাতেন যতটুকু সে একেবারে গ্রহন ও পালন করতে পারবে বলে

তিনি মনে করতেন। এই ক্রম পরিবর্তন প্রক্রিয়া কোরআনের দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে পর্যায়ক্রমে নাজিল হওয়ার সাথেও সামঞ্জস্যপুর্ণ।

আপনার আরও ভালো বিশ্বাসী (ইমানদার) হওয়ার প্রচেষ্টায় এই ক্রমোন্নয়নের নীতি সবসময় মনে রাখবেন। না হলে যা অসম্ভব তা অনর্থক অর্জনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হতে পারেন এবং ফলশ্রুতিতে হতাশা আপনাকে গ্রাস করতে পারে।

এ পর্যায়ে আপনার কাজ হচ্ছে নিজের বিশ্বাসকে সুদৃঢ় রাখা। বিশ্বাসের যে সংজ্ঞা আমরা সাধারনত শুনি, প্রকৃত সংজ্ঞা তা থেকে একটু আলাদা। এই সংজ্ঞা কোরআনেই বর্ণিত হয়েছে (৯:১১১)। এই সুদৃঢ় বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা আপনাকে আপনার প্রভুর দৃষ্টিতে তাঁর প্রকৃত ও বিশ্বস্ত সেবকদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে সাহায্য করবে। কোরআনে বলা হয়েছে:

إِنَّ اللَّهَ اشْتَرَىٰ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ أَنفُسَهُمْ وَأَمْوَالَهُم بِأَنَّ لَهُمُ الْجَنَّةَ ۚ يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيَقْتُلُونَ وَيُقْتَلُونَ ۖ وَعْدًا عَلَيْهِ حَقًّا فِي التَّوْرَاةِ وَالْإِنجِيلِ وَالْقُرْآنِ ۚ وَمَنْ أَوْفَىٰ بِعَهْدِهِ مِنَ اللَّهِ ۚ فَاسْتَبْشِرُوا بِبَيْعِكُمُ الَّذِي بَايَعْتُم بِهِ ۚ وَذَٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ .

‘প্রকৃত ব্যাপার এই যে, আল্লাহ মুমিনদের থেকে তাদের প্রাণ ও ধন-সম্পদ জান্নাতের বিনিময়ে কিনে নিয়েছেন৷ তারা আল্লাহর পথে লড়াই করে এবং মারে ও মরে৷ তাদের প্রতি তাওরাত ,ইনজীল ও কুরআনে(জান্নাতের ওয়াদা) আল্লাহর জিম্মায় একটি পাকাপোক্ত ওয়াদা বিশেষ৷ আর আল্লাহর চাইতে বেশী নিজের ওয়াদা পূরণকারী আর কে আছে? কাজেই তোমরা আল্লাহর সাথে যে কেনা-বেচা করছো সে জন্য আনন্দ করো৷ এটিই সবচেয়ে বড় সাফল্য৷’ (৯:১১১)

আপনি যখন আল্লাহর সাথে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হবেন, তখন আপনার সমস্ত সম্পদ তাঁর পথে ব্যয় করতে প্রস্তুত থাকবেন। এটাই আদর্শ অবস্থান। আর আদর্শ মানে পৌছানো খুবই কঠিন তা আপনি ভাল ভাবে বুঝে এবং মেনে নেবেন। আদর্শ সবসময়েই আকাঙ্ক্ষিত । সুতরাং কোন কিছু যদি খুব সহজেই অর্জন করা যায় তাহলে তা আর আদর্শস্থানীয় থাকে না। আপনাকে অবশ্যই সবসময় কাঙ্ক্ষিত আদর্শিক মান ধরে রাখার ইচ্ছা পোষন করতে হবে। আল্লাহর পথে সবকিছু দিয়ে অবিরত চেষ্টা ও সংগ্রামের নামই জিহাদ। অন্যকথায়, আলচ্যক্ষেত্রে ‘তাজকিয়া’।

তাজকিয়া পুর্বশর্তঃ

জান্নাত অর্জনের চুড়ান্ত লক্ষ্যে আপনি যখন এই নতুন পথে যাত্রা করবেন তখন আপনি অসংখ্য জটিলতা ও বিপদের সন্মুখীন হবেন, যা প্রায়ই দুঃসহ মনে হবে। যাত্রার শুরুতেই আপনি যদি ‘তাজকিয়া’র নিম্নবর্ণিত পূর্বশর্তগুলি অর্জন করতে পারেন তাহলে এসব বিপদ আপদ অতিক্রম করা অপেক্ষাকৃত সহজ হবে।

১। তাজকিয়া-আপনার ব্যক্তিগত দায়িত্বঃ

আপনি নিশ্চই মানবেন যে ‘তাজকিয়া’ একটা খুবই ব্যক্তিগত প্রক্রিয়া। তাজকিয়ার উন্নত মান অর্জনের জন্য তাজকিয়া আপনার কাছে ব্যক্তিগত ভাবে দ্বায়িত্বগ্রহনের দাবী করে।

শুধুমাত্র যথাযথ আত্মোপলব্ধি, আন্তরিক প্রচেষ্টা আর পরিশ্রমের মাধ্যমেই ‘তাজকিয়া’ অর্জন সম্ভব। অন্য কেউ আপনাকে এটা অর্জন করে দিতে পারবেনা। কোন সংগঠন, কোন নেতা বা কোন শিক্ষক তাজকিয়া অর্জনের জন্য আপনার দায়িত্বসমুহ আপনার বদলে পালন করে দিতে পারবেন না। আল্লাহতায়ালা বলেনঃ

وَلَا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِزْرَ أُخْرَى وَإِن تَدْعُ مُثْقَلَةٌ إِلَى حِمْلِهَا لَا يُحْمَلْ مِنْهُ شَيْءٌ وَلَوْ كَانَ ذَا قُرْبَى إِنَّمَا تُنذِرُ الَّذِينَ يَخْشَوْنَ رَبَّهُم بِالغَيْبِ وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ وَمَن تَزَكَّى فَإِنَّمَا يَتَزَكَّى لِنَفْسِهِ وَإِلَى اللَّهِ الْمَصِيرُ.

কোন বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা উঠাবে না৷ আর যদি ভারাক্রান্ত ব্যক্তি নিজের বোঝা উঠাবার জন্য ডাকে, তাহলে তার বোঝার সামান্য একটি অংশ উঠাবার জন্য ও কেউ আসবে না, সে তার নিকটতম আত্মীয় স্বজন হলেও৷ (হে নবীঃ) তুমি কেবল তাদেরকেই সতর্ক করতে পারো যারা না দেখে তাদের রবকে ভয় করে এবং নামায কায়েম করে৷ আর যে ব্যক্তিই পবিত্রতা অবলম্বন করে সে নিজেরই ভালোর জন্য করে এবং ফিরে আসতে হবে সবাইকে আল্লাহরই দিকে৷ (৩৫:১৮)

ব্যক্তিগত দায়িত্বানুভুতি হচ্ছে সামগ্রিকভাবে ইসলামের প্রাথমিক বিষয়। প্রকৃতপক্ষে, আমরা প্রত্যেকেই আমাদের কর্তব্যের ব্যাপারে আলাদাভাবে জিজ্ঞাসিত হব। যদি অন্যকেউ আপনার কর্তব্যগুলো পালন করে দেয় তবে প্রতিফল আপনার নয়, তারই পাওয়া উচিৎ। প্রতিফল পেতে চাইলে আপনি অবশ্যই নিজে সেই কাজগুলো করবেন যা আল্লাহ আপনার কাছে আশা করেন।

وَمَن جَاهَدَ فَإِنَّمَا يُجَاهِدُ لِنَفْسِهِ إِنَّ اللَّهَ لَغَنِيٌّ عَنِ الْعَالَمِينَ- وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لَنُكَفِّرَنَّ عَنْهُمْ سَيِّئَاتِهِمْ وَلَنَجْزِيَنَّهُمْ أَحْسَنَ الَّذِي كَانُوا يَعْمَلُونَ.

যে ব্যক্তিই প্রচেষ্টা- সংগ্রাম করবে সে নিজের ভালোর জন্যই করবে৷ আল্লাহ অবশ্যই বিশ্ববাসীদের প্রতি মুখাপেক্ষিতাহীন৷ আর যারা ঈমান আনবে ও সৎকাজ করবে তাদের দুষ্কৃতিগুলো আমি তাদের থেকে দূর করে দেবো এবং তাদেরকে তাদের সর্বোত্তম কাজগুলোর প্রতিদান দেবো। (২৯:৬-৭)

কিছু মানুষ নিজেদেরকে অন্যদের কথামত পরিচালিত হতে দেয়। কোরআনে বর্ণিত আছে শেষ বিচারের দিনে কিছু দুর্বল লোকেরা বলবে যে তারা অন্যদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পথভ্রষ্ট হয়েছিল। কিন্তু আল্লাহ তাদের এ অজুহাত গ্রহন করবেন না। তিনি তাদের বলবেন যে পথভ্রষ্ট হওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পুর্ণই তাদের নিজেদের ছিল।

الَّذِي جَعَلَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ فَأَلْقِيَاهُ فِي الْعَذَابِ الشَّدِيدِ – قَالَ قَرِينُهُ رَبَّنَا مَا أَطْغَيْتُهُ وَلَكِن كَانَ فِي ضَلَالٍ بَعِيد ٍ- قَالَ لَا تَخْتَصِمُوا لَدَيَّ وَقَدْ قَدَّمْتُ إِلَيْكُم بِالْوَعِيدِ –

যে আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে ইলাহ বানিয়ে বসেছিল। নিক্ষেপ কর তাকে কঠিন আযাবে। তার সহগামী আরয করল: হে প্রভু, আমি তাকে বিদ্রোহী করিনি বরং সে নিজেই চরম গোমরাহীতে ডুবে ছিল। জবাবে বলা হলো: আমার সামনে ঝগড়া করো না। আমি আগে তোমাদেরকে মন্দ পরিণতি সম্পকে সাবধান করে দিয়েছিলাম। (৫০: ২৬-২৮)।

এমনকি শয়তান কিয়ামতের দিনে দাঁড়িয়ে বলবেঃ

أَن دَعَوْتُكُمْ فَاسْتَجَبْتُمْ لِي فَلاَ تَلُومُونِي وَلُومُواْ أَنفُسَكُم.

আমি তোমাদেরকে আহব্বান করেছিলাম, তোমরা তাতে সাড়া দিয়েছ। সুতরাং এখন আমাকে দোষারোপ না করে নিজেদেরকে দোষারোপ কর। (১৪:২২)।

শেষপর্যন্ত পুরষ্কৃত বা তিরষ্কৃত আপনিই হবেন কারন কাজের দায়িত্ব আপনারই ছিলঃ

يَوْمَئِذٍ يَصْدُرُ النَّاسُ أَشْتَاتًا لِّيُرَوْا أَعْمَالَهُمْ – فَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ-وَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُ.

সেদিন লোকেরা ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় ফিরে আসবে , যাতে তাদের কৃতকর্ম তাদেরকে দেখানো যায় । তারপর যে অতি অল্প পরিমাণ ভালো কাজ করবে সে তা দেখে নেবে । এবং যে অতি অল্প পরিমাণ খারাপ কাজ করবে সে তা দেখে নেবে। (৯৯:৬-৮)

নিজের সব কাজের দায়িত্ব নিজেই নেয়া দুরহ মনে হতে পারে কিন্তু আপনি খুব ভালোভাবে (distinction) তা করতে পারবেন যদি আপনি আল্লাহ আপনাকে যে অশেষ মানবীয় সামর্থ্য দিয়েছেন তা কৃতজ্ঞতার সাথে সদ্ব্যহার করেন।

لَقَدْ خَلَقْنَا الْإِنسَانَ فِي أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ – ثُمَّ رَدَدْنَاهُ أَسْفَلَ سَافِلِينَ – إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ فَلَهُمْ أَجْرٌ غَيْرُ مَمْنُونٍ .

আমি মানুষকে অতি সুন্দরতম গঠনে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর তাকে আমি অধমের থেকেও অধম করেছি। তারা ব্যতীত যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে। তাদের জন্য রয়েছে অশেষ পুরষ্কার। (৯৫:৪ -৬)

তাজকিয়া শুধুমাত্র কতগুলি ধারণার সমষ্টি নয়, বরং ব্যক্তির জীবন ও আচার ব্যবহারের সমষ্টি । কুরআন অনুযায়ী সাফল্যের চাবি হচ্ছে বিশুদ্ধ বিশ্বাস। আর প্রকৃত বিশ্বাস অর্জনের জন্য অবশ্যই কুরআন ও সুন্নাহ নিবিড় অধ্যায়নের মাধ্যমে ব্যপক জ্ঞান অর্জন করতে হবে। এরপর অর্জিত জ্ঞান অবশ্যই বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। এটা বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজন দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ও ও ক্রমাগত চেষ্টা। প্রকৃতপক্ষে এগুলি ‘আমালে সলিহ্’ বা সৎ কাজে পরিনত হবে।

একাজে সহয়তার জন্য অবশ্যই এমন লোকদের সঙ্গ লাভের চেষ্টা করতে হবে যারা সবসময় আল্লাহকে খুশি করতে চায়। তারা আপনাকে সৎ পথে থাকার জন্য উৎসাহ দেবে এবং সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হলে সংশোধন করবে।

সঙ্গ শুধুমাত্র মানুষ নয় বরং বুদ্ধিবৃত্তিক ও মনোজাগতিক ব্যপারগুলো, যেমন যে ধারণা বা চিন্তা আপনি পোষন করেন, যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা আপনি সযত্নে লালন করেন, যে অনুভুতি ও সংবেদনশীলতা আপনার মধ্যে বিকশিত হয় অথবা যে সব বই আপনি পড়েন- এ সবই সঙ্গের অন্তর্ভুক্ত, কারন এগুলোই আপনার একাকীত্ব বা নির্জনতার সাথী।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s