রোজার গল্প : মুনিয়ার রোজা

আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

লিখেছেন জুবায়ের হুসাইন

মুনিয়ার মন ভালো নেই।
সকাল থেকেই মুখটা কেমন থমথমে। যেনো কালবোশেখীর যতো মেঘ এসে জমা হয়েছে ওর চেহারায়।
সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজে নিজে দাঁত ব্রাশ করলো। স্কুলের ড্রেস পরে বই-খাতা গুছিয়ে ব্যাগে ভরে একা একাই স্কুলে রওনা দিলো, যেটা আগে কখনোই ঘটেনি।
আম্মু আড়ালে দাঁড়িয়ে সবকিছুই দেখলেন। খুশি হলেন মেয়ের উপর। যাক, এতদিনে নিজের কাজ নিজেই করা শিখেছে। বুঝতে শিখেছে। তারমানে মেয়ে বড় হচ্ছে। পাশাপাশি একটু চিন্তায়ও পড়ে গেলেন তিনি। মেয়ের মুখটা অমন থমথমে কেনো? সকালে উঠে কারোর সাথে একটা কথাও পর্যন্ত বলেনি। অথচ অন্য দিন ঘুম থেকে উঠেই সারা বাড়ি মাথায় করে ফেলেÑ ‘আম্মু, আমার ব্রাশটা কই? …ধুর! ব্রাশে পেস্টটাও লাগিয়ে দাওনি। …আম্মু, জুতার ফিতেটা বাধতে পারছিনে। …ও আম্মু, আমি কি মাথার চুল এভাবে উলুঘুলু অবস্থায় স্কুলে যাবো? একটু আঁচড়িয়ে দাও দ্রুত। …ম্যাথ হোমওয়ার্কের খাতাটা ব্যাগে ভরতে ভুলো না কিন্তু আম্মু। ওটা নিতে ভুললেই শায়লা ম্যাডাম দশবার আপ-ডাউন করাবে। …আচ্ছা আম্মু, তুমি কি প্রতিদিনই একই ভুল করবে? ডিমপোচের অর্ধেকটা না ভাইয়াকে দেয়ার কথা? তাহলে পুরোটাই আমাকে দিয়েছো কেনো? …এই আম্মু, তোমার এখনও গোছানো হয়নি? আমার দেরি হয়ে যাবে তো! তোমার জন্য ঠিকই আজ আমাকে ৫ মিনিট কাসের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। …এই ভাইয়া, একি! তুমি এখনও নাশতা করছো? নাহ্, তোমরা কেউই সময়ের গুরুত্ব বোঝো না।…’
এরপর চারজন একই সাথে বের হয়Ñ আব্বু, আম্মু, মুরাদ ও মুনিয়া। তখন বাড়ি থাকেন কেবল দাদুভাই।
আব্বু রিকশা নিয়ে তার অফিসে চলে যান। মুরাদ সাইকেলে চড়ে স্কুলে রওনা দেয় আর আম্মু মুনিয়াকে ওর স্কুলে পৌঁছে দিতে যান রিকশা করে। আগে মুরাদই নিয়ে যেতো মুনিয়াকে। কিন্তু মুরাদ গত বছর অন্য স্কুলে ভর্তি হওয়ায় আম্মুকেই এখন দায়িত্বটা পালন করতে হয়।
আজই প্রথম এই স্বাভাবিক নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটলো। তাই বাড়ির সবাই-ই বেশ বিস্মিত। এবং কিছুটা চিন্তিতও। সকাল থেকে নেই কোনো হাকডাক। নেই আম্মুর ছুটাছুটি। আধো ঘুমে কানে বালিশ চাপা দেয়া নেই মুরাদের।
সবচেয়ে বড় কথা, মুনিয়া আজ নাস্তা করেনি।
অন্যান্য সকল বিষয়ই সবাইকে খুশি করলেও এই একটি বিষয়ে সবাই বেশ চিন্তিত। কী এমন ঘটলো মুনিয়ার? কারোর উপরে কি ও মন খারাপ বা রাগ করেছে? কার উপরে? কেনো?Ñ এসব কোনো প্রশ্নের জবাব কারোর জানা নেই।
ইশ্! মেয়েটা না জানি আজ ক্ষিধেই কতো কষ্ট পায়!
আব্বু দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে এপাশ-ওপাশ মাথা ঝাঁকিয়ে ব্রিফকেস হাতে অফিসে রওনা দিলেন।
মুরাদ কোনো রকম একটা পরোটা পেটে চালান করলো। ডিমপোচে হাত দিলো না। আম্মুকে বলে সাইকেল নিয়ে রওনা দিলো। আম্মু ঈশারায় বলে দিলেন কি করতে হবে।
আম্মু কিছুক্ষণ দরোজা ধরে দাঁড়িয়ে রইলেন। তারপর একটা চাপা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে দরোজা বন্ধ করে দিলেন।
দাদুভাই জিজ্ঞেস করলেন, ‘কি বউমা, আজ মুনিয়া একাই স্কুলে গেলো, তুমি সঙ্গে যাওনি?’
আম্মু জবাব দিলেন, ‘না আব্বা, মুনিয়া যে বড় হচ্ছে।’
‘উ-হুঁ বউমা, ব্যাপারটা আমার কাছে ভালো ঠেকছে না। নিশ্চয়ই দাদুভাই’র কিছু হয়েছে।’
আম্মু সে কথার জবাব না দিয়ে নিজের ঘরের দিকে চললেন।
***
মুনিয়া রিকসা থেকে নেমে ভাড়া মিটিয়ে খোলা গেট দিয়ে স্কুলে প্রবেশ করলো। মুরাদ সাইকেল থেকে নেমে রিকসাঅলাকে কিছু বলল। রিকসাঅলা মাথা নাড়িয়ে সায় দিয়ে অন্য প্যাসেঞ্জারের আশায় ছুটলো।
মুরাদ এবার গেটম্যানের কাছে গেলো। কিছু কথাবার্তার পর গেটম্যানের হাতে কিছু টাকা দিলো।
মুরাদ ভেতরে উঁকি দিয়ে ছোট বোনকে কোথাও দেখলো না। কাসে চলে গেছে তাহলে। ওরও কাসের সময় হয়ে যাচ্ছে। তাই আর দেরি না করে সাইকেল চড়ে চলল নিজের স্কুলের দিকে।
***
একই রিকসায় করে বাড়ি ফিরলো মুনিয়া। রিকসাঅলা ভাড়া নিতে অস্বীকৃতি জানাতেই ক্ষেপে গেলো ও। আম্মুকে ডাকতে গিয়েও ডাকলো না। কলিংবেল চাপতেই আম্মু এসে দরোজা খুলে দিলেন। আম্মুর দিকে তাকালোও না ও। মুখ গোঁজ করে আম্মুর পাশ ঘেষে ভেতরে প্রবেশ করলো। রুমে ঢুকে ধীরে ধীরে ড্রেস চেঞ্জ করলো। টেবিলে ভাত ঢাকা ছিলো। এগিয়ে গেলো সেদিকে। প্রচ- ক্ষিধে পেয়েছে। পেটের মধ্যে যেনো একশটা ছুঁচো দাপাদাপি করছে। এতো ক্ষিধে আগে কখনও লাগেনি ওর।
ঢাকনা তুলেই সঙ্গে সঙ্গে নামিয়ে রাখলো। না, খাবে না ও। দরোজার দিকে নজর বুলালো, আম্মু দেখে ফেলেননি তো?
মুনিয়া স্কুলেও কিছু খায়নি। গেটম্যান টিফিনে পাউরুটি ও কলা কিনে দিয়েছিলো। ফিরিয়ে দিয়েছে ও।
আম্মু আড়াল থেকে দেখলেন সব। তিনিও সকাল থেকে না খেয়ে আছেন। ঠোঁটে ঠোঁট চেপে রইলেন।
মুনিয়ার খুব কষ্ট হচ্ছে। হাঁটতে গেলে মনে হচ্ছে ঘুরে পড়ে যাবে। তবুও জোর করে হেঁটে বাগানে গিয়ে চৌকিতে বসলো।
দাদুভাইয়ের রুমের পাশ দিয়ে যেতেই আম্মুকে ডাকলেন তিনি। আম্মু রুমে প্রবেশ করলেন। স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করলেন। বললেন, ‘কিছু বলবেন আব্বা?’
দাদুভাই বললেন, ‘মুনিয়া দাদুভাই ফেরেনি স্কুল থেকে?’
‘ফিরেছে আব্বা।’
‘নাস্তা করেছে?’
আম্মু এপাশ-ওপাশ মাথা নাড়েন।
‘আমার ঘরেও তো এলো না আজ।’
‘আব্বা আপনি একটু দেখেন না কি হয়েছে ওর? মেয়েটা আমার সকাল থেকে না খেয়ে আছে।’
‘আচ্ছা আমি দেখছি। এখন কোথায় আছে ও?’
‘বাগানে গিয়ে বসেছে।’
‘মুরাদ কি ফিরেছে?’
না এখনো ফেরেনি।’
‘মুহসিনকে কিছু জানিয়েছো?’
আম্মু আবার এপাশ-ওপাশ মাথা নাড়েন।
‘আপাতত ওকে কিছু জানানোর দরকার নেই। তাহলে অফিস ফেলে চলে আসবে। তুমি কোনো চিন্তা কোরো না বউমা, আমি দেখছি কি করা যায়।’
দাদুভাই সচরাচর রুম থেকে বের হন না। কিন্তু আজ বের না হয়ে পারলেন না। তার আদরের নাতনি সকাল থেকে না খেয়ে আছে। তাছাড়া আজ সারাদিনে তার কাছে একবারও আসেনি। বিষয়টা তাকেও বেশ ভাবিয়ে তুলেছে।
‘দাদুভাই?’ বাগানে গিয়ে পেছন থেকে ডাকলেন তিনি।
মুনিয়া চৌকিতে বসে ছিলো। একবার মুখ তুলে তাকালো এদিকে। তারপর পূর্বের অবস্থায় ফিরে গেলো।
দাদুভাই লাঠি ভর দিয়ে এগিয়ে গেলেন। পাশে গিয়ে মাথায় হাত রাখতেই উঠে পড়লো মুনিয়া। সরে গেলো অন্য পাশে। আরও কয়েকবার চেষ্টা করলেন দাদুভাই। ফল একই হলো। অত্যন্ত চিন্তায় পড়ে গেলেন তিনি। ভয়ানক কিছু ঘটেছে। নইলে তুচ্ছ বিষয়েও যে দাদুকে ও অবহিত করতো, যে দাদু ছিলো ওর সকল অভিযোগ-অনুযোগ আর সুখ-দুঃখের সাথী, সেই দাদুকেও ও আজ এড়িয়ে চলছে কেনো? চশমার কাঁচটা কেমন ঘোলাটে মনে হচ্ছে। ফিরে গেলেন নিজের রুমে। আম্মু এবার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বললেন, ‘এখন কি হবে আব্বা?’
দাদুভাই বললেন, ‘বুঝতে পারছি না বউমা।’
‘আমি কি যাবো ওর কাছে?’
‘যেতে পারো। তবে লাভ হবে বলে মনে হচ্ছে না।’
এই সময় মুরাদ এলো। সাইকেল রেখে দ্রুত স্কুল ড্রেস চেঞ্জ করে দাদুর রুমে ঢুকলো। আম্মুকে জিজ্ঞেস করল, ‘আম্মু মুনিয়া কোথায়?’
আম্মু বললেন, ‘বাগানে আছে। দেখ্ ওর রাগ ভাঙাতে পারিস্ কি-না। এখনও পর্যন্ত না খেয়ে আছে।’
দাদুভাই বললেন, ‘হ্যাঁ দাদু, এখন তুমিই একমাত্র ভরসা।’
মুরাদ আর কিছু না বলে ছুটলো বাগানের দিকে।
মুনিয়া তখন একটা মোটা গাছের শিকড়ের উপর বসে দু’হাটুতে দু’কনুই রেখে দু’হাতে দু’চোয়াল চেপে ধরে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সামনে।
মুরাদ ধীরে ধীরে ওর পেছনে গিয়ে দাঁড়ালো। কোনো কথা কলল না।
মুনিয়া পেছনে কারো উপস্থিতি বুঝতে পেরে ঘুরে তাকালো। আবার ফিরে গেলো আগের অবস্থায়।
মুরাদ বুঝতে পারে না কি দিয়ে শুরু করবে। সবসময় ওদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকে। বিষয়টা বরং মুরাদ বেশ এনজয় করে। কিন্তু তারপরেও জানে মুনিয়া ওকে অত্যন্ত ভালোবাসে। মুরাদও প্রাণ দিয়ে স্নেহ করে ছোট বোনকে। কিন্তু…
সামনের ডুমুর গাছটায় একটা টুনটুনির বাসা। দু’টো টুনটুনি ফুড়–ৎ ফুড়–ৎ করে এডাল থেকে সেডালে যাচ্ছে আর তাদের নিজস্ব ভাষায় আলাপ করছে। পুলকিত হয় মুনিয়া। ঠোঁটের কোণে হাসির ঝিলিক দেখা দেয়। যেনো পাখি দু’টোর ভাষা বুঝতে পারছে। কাউকে বিষয়টা জানানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে ও। হ্যাঁ, ভাইয়াকে বলতে হবে।
উঠে দাঁড়ায় ও। ভাইয়ার দিকে ফেরে। উৎফুল্ল কণ্ঠে বলে ওঠে, ‘ভাইয়া,..’ কিন্তু পরক্ষণই মুখটা চুপসে যায়।
বোনের মুখে সারাদিনে এই প্রথম ভাইয়া ডাক শুনে খুশি হয় মুরাদ। কিন্তু হঠাৎ থেমে যাওয়াতে তেমনি চুপসে যায়। ভাবতে থাকে আকাশ-পাতাল। কি এমন ঘটেছে যার জন্যে এই পরিণতি? কখন ঘটেছে? কাল রাতে খেতে বসার আগ পর্যন্ত সবই তো ঠিক ছিলো! তাহলে…
ভাবছে মুরাদ।…
হঠাৎ বিদ্যুৎ ঝলকের মতো একটা বিষয় মনে পড়ে গেলো মুরাদের। হ্যাঁ, ও বুঝতে পেরেছে ব্যাপার কি ঘটেছে। এখন ওটার একটা সমাধান দরকার। সমাধানও বের করে ফেলল অতি দ্রুত।
মুনিয়া একটা গোলাপ ঝাড়ের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো। বড় লাল টকটকে কয়েকটা ফুল ফুটে রয়েছে। বিচিত্র বর্ণের একটা প্রজাপতি উড়ছে। একটা ফুলের পাঁপড়িতে হাত বুলালো মুনিয়া।
মুরাদ বলল, ‘ফুলটা খুব সুন্দর। প্রজাপতিটাও।’
মুনিয়া ওখানে আর দাঁড়ালো না। এগিয়ে গেলো একটা গাঁদা ফুল গাছের দিকে। হলুদ গাঁদা ফুল ফুটেছে।
মুরাদ ফুল সম্বন্ধে আর কিছু বলল না। যে গোলাপটাতে মুনিয়া হাত বুলিয়েছিলো সেটা এখন বোঁটাসহ ওর হাতে শোভা পাচ্ছে। চুপেচুপে ফুলটা গুঁজে দিলো ছোট বোনের কানের উপরে চুলের মধ্যে। বলল, ‘এদিকে একটু ফিরবি, দেখতাম কেমন রাজ-রানীর মতোন লাগছে তোকে?’
প্রচ- রাগে ঘুরে দাঁড়ালো মুনিয়া। ইচ্ছা, ফুলটা ছুড়ে মারবে ভাইয়ার দিকে আর উত্তম-মধ্যম বকে দেবে। কিন্তু ভাইয়ার হাসিমুখ দেখে আর হাতে চকবারটা দেখে সমস্ত রাগ নিমিষেই পানি হয়ে গেলো। চকবার ওর খুবই প্রিয়।
মুরাদ বলল, ‘গত রাতের ঘটনার জন্য আ’অ্যাম ভেরি ভেরি এবং ভেরি সরি। আসলে তুই-ই ঠিক। মানুষের ইচ্ছাটাই আসল। ইচ্ছা করলেই অনেক কিছু করতে পারে মানুষ। কিন্তু সেই ইচ্ছাটা হওয়া চাই ভালো, যাতে উপকার আছে।’
মুনিয়ার মুখে হাসি। শুকনো মুখের হাসি হলেও বেশ দারুণ দেখাচ্ছে ওকে। আসলে এই রূপে এই প্রথম ওকে দেখছে মুরাদ।
মুনিয়া বলল, ‘সত্যি?’
‘হ্যাঁ সত্যি।’ বলল মুরাদ।
‘তাহলে বলো আমাকে রোজা রাখতে কেউ বাধা দেবে না!’
‘না বোন, আমার পক্ষ থেকে কোনো বাধা তোকে দেয়া হবে না।’
আব্বু বললেন, ‘আমরাও কোনো বাধা দেবো না।’
আব্বু আজ আগেই চলে এসেছেন। আম্মুই মোবাইল করে ডেকে এনেছেন।
বারান্দা থেকে বাগানে নেমে এলেন আব্বু, আম্মু ও দাদুভাই। এতক্ষণ ওখানে দাঁড়িয়েই দু’ভাই-বোনের কর্মকা- উপভোগ করছিলেন তারা।
দাদুভাই বললেন, ‘আজ কিন্তু রোজা না দাদুভাই। কাজেই এখন খেয়ে নিতে পারো।’
মুনিয়া ভাইয়ার হাত থেকে চকবারটা নিতে যেতেই ভাইয়া বলল, ‘উহুঁ! খালি পেটে এটা নয়। আগে ভাত।’
মুনিয়া দৌড়ে গিয়ে মায়ের কোলে ঝাঁপিয়ে পড়লো। বলল, ‘আম্মু ক্ষিধে।’
সবার কাছে মনে হলো যেনো আজই ঈদ। আনন্দে নেচে উঠলো সবার হৃদয়।
ডুমুর ডালে টুনটুনি দু’টো তখনও নেচে চলেছে। যেনো একটু বেশিই লাফালাফি করছে এখন। এই পরিবারের সদস্যদের আনন্দে তারাও আনন্দিত।

Advertisements

One response »

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s